Barisal Report .Com । বরিশাল রিপোর্ট .কম

ঢাকা, ২৬শে জুন, ২০১৯ ইং


প্রকাশ : মে ১৬, ২০১৯ , ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি বানারীপাড়ায় আহত-১০

অনলাইন ডেস্ক//বানারীপাড়া আকস্মিক ঘূর্নিঝড়ে সন্ধ্যা নদীতে ট্রলারডুবি ও ফেরির গ্যাংওয়ে বিচ্ছিন্ন হওয়া সহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার উপরে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাইশারী সৈয়দ ফজলুল হক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও দক্ষিণ নাজিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ চার শতাধিক টিনের ঘরের চালা উড়ে যায় এবং পৌর শহরের ১ নং ওয়ার্ডে সদ্য নির্মিত মহিলা মাদ্রাসার ভবন ধ্বসে পড়ে। গোটা উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সড়কে গাছ পড়ে প্রায় দু’ঘন্টা ধরে বানারীপাড়া-স্বরুপকাঠীর সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল চন্ধ থাকার পাশাপাশি ঘরের চালার টিন পড়ে ইটভাটার দুই শ্রমিকসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী বন্দর বাজারের ফেরিঘাট এলাকার মনির হোসেন জানান, বুধবার বিকাল ৪টা দিকে আকস্মিক শুরু হওয়া এ ঘুর্ণিঝড়ে ঘাটে থাকা ফেরির নোঙ্গর ছিঁরে নদীর অপর প্রান্তে চলে যাওয়ার পাশাপাশি পন্টুন ও গ্যাংওয়ে আলাদা হয়ে যায়। ফলে ফেরি ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বানারীপাড়া-নলশ্রী-বাংলা বাজার লাইনের ট্রলার এবং খেয়া পারাপারে যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

সময় ফেরিঘাটে থাকা বানারীপাড়া-নলশ্রী লাইনের একটি ট্রলার ডুবে যায় ও তিনটি ট্রলার ফেরির পন্টুনের ওপর উঠে যাওয়ার পাশাপাশি বন্দর বাজারে উজ্জ্বল ও স¤্রাটের দোকানের টিনের চালাসহ পৌর শহর এবং ৮টি ইউনিয়নের ৪ শতাধিক ঘরের টিনের চালা উঁেড় যায়। ওই ট্রলারে থাকা একমাত্র সুকানী মোক্তার হোসেন কোন রকম প্রাণে বেঁচে যান। এছাড়াও ফেরিঘাটে থাকা খেয়া-পারাপারে টোল আদায়ের ঘর (যাত্রী ছাউনী) সহ ফুটপাথে থাকা সুমনের চটপটি ও মিরাজ এবং রফিকের চায়ের দোকান সন্ধ্যা নদীতে পড়ে যায়। সড়কে গাছ পড়ে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লাইন, ছিঁড়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রায় দু’ঘন্টা ধরে বানারীপাড়া-নেছারাবাদ (স্বরুপকাঠী) উপজেলায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রায় ২৪ ঘন্টা ধরে বিদ্যুৎ বিহীন রয়েছে গোটা এলাকা। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে ঘরের চালার ঢেউটিন উপড়ে পরে বিবিসি নামক ইটভাটার শ্রমিক সেলিম (৩৮) ও টিপু (৩২) সহ উপজেলার ৮ ইউনিয়নে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়াও ক্ষেতের উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতির বিষয়ে উপজেলা ত্রাণ কর্মকর্তা অয়ন সাহা জানান পৌর শহর সহ উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা করা হচ্ছে। জেলায় ওই তালিকা প্রেরণের পরে বরাদ্দ দেওয়া হবে।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ জানান জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ টাকা ও ত্রাণ বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
[tabs]