Barisal Report .Com । বরিশাল রিপোর্ট .কম

ঢাকা, ২৬শে জুন, ২০১৯ ইং


প্রকাশ : মে ৩০, ২০১৯ , ৯:১০ অপরাহ্ণ
ধানের ন্যায্যমূল্য ও কৃষক হয়রানির প্রতিবাদে বাবুগঞ্জে মানববন্ধন

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি : “ কৃষক বাঁচাও- দেশ বাঁচাও, ধান কাটা শ্রমিক নয় কৃষক চান ন্যায্য দাম”-এই প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জন্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করা এবং খাদ্য গুদামে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয়ের নামে অনিয়ম-দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার বাবুগঞ্জ উপজেলা চত্বরে এ মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা এসময় মোটা ধান মন প্রতি ১১শত টাকা, চিকন ধান মন প্রতি ১৩ শত টাকা সরকারি ভাবে ক্রয়,কৃষকদের জন্য দ্রুত শস্যবীমা চালু, পচনশীল কৃষি পণ্যের জন্য সরকারিভাবে হিমাগার তৈরি সহ মধ্যসত্ব ভোগীদের স্বার্থে নয় সরকারি উদ্যেগে কৃষকদের স্বার্থে বাজার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে বলে দাবি তুলেন।

প্রতিটি কৃষি পণ্যের লাভজনক মূল্য কৃষকরা যাতে পায় তা সু-নিশ্চিত করা সহ ৪ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে উপজেলা চত্ত্বরে মানবন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে জাতীয় কৃষক সমিতি বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটি।উপজেলা জাতীয় কৃষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মাষ্টারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় কৃষক সমিতির জেলা নেতা মোজাম্মেল হক ফিরোজ, ওয়াকার্স পার্টির উপজেলা সম্পাদক টি এম শাহাজাহন তালুকদার, যুবমৈত্রীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহিন হোসেন, মাধবপাশা কৃষক সমিতির নেতা আজিজুর রহমান, উপজেলা যুবমৈত্রী সভাপতি হাসানুর রহমান পান্নু, সহ-সভাপতি আবু হানিফ, যুবমৈত্রী নেতা কামাল পারভেজ,

পরে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিত হাওলাদার এর নিকট প্রধানমন্ত্রী বরাবর দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।উল্লেক্ষ্য বাবুগঞ্জে সরকারি ভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করছে উপজেলা খাদ্য গুদাম। সেখানে বেশ কিছুদিন যাবৎ লেবার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে, ময়েশ্চার পরিক্ষার নামে কৃষক হয়রানি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অপরদিকে কৃষকরা ধান বিক্রির ব্যাপারে কৃষি দপ্তরের অসহযোগীতার কথা যানান। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে বেশ কয়েকজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা থাকা সত্বেও তারা ধান বিক্রির ব্যাপারে সঠিক পরামর্শ দিয়ে সহোযোগীতা করছেন না । প্রত্যান্ত অঞ্চল থেকে ধান নিয়ে বাবুগঞ্জ খাদ্যগুদাম পর্যন্ত একাধিক বার এসে ময়েশ্চার পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। যা সংশ্লিষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এলাকায় বসে সেবাটি দিতে পারেন এবং সঠিক পরামর্শ দিতে পারেন। তবে তাদের এ অসহোযোগীতায় ও কৃষকরা বেশি পরিমান হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে পছন্দের তালিকা করে অল্পসংখ্যক কৃষকেরনাম অন্তর্ভুক্ত করে লিষ্ট দিয়েছে ধান ক্রয়ের জন্য। এ বিষয়ে একজন উপসকারী কৃষি কর্মতার সাথে আলাপ করলে তিনি যানান াামরা সর্বাত্বক সহোযোগীতা দিয়ে আসছি কৃষকদের।

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
[tabs]