Barisal Report .Com । বরিশাল রিপোর্ট .কম

ঢাকা, ২৪শে মে, ২০১৯ ইং


প্রকাশ : মে ৪, ২০১৯ , ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ
‘ফণী’র প্রভাবে ভোলায় ঝড়-বৃষ্টিতে ট্রলার ডুবি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি

অনলাইন ডেস্ক //ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে দ্বীপজেলা ভোলায় থেমে থেকে ঝড়ো বাতাস-বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে উপকূলে বিধ্বস্ত হয়েছে বেশ কিছু বসতঘর। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাট ও গাছপালা। বিপর্যস্ত হয়ে হয়ে পড়েছে জনজীবন।

এদিকে শনিবার (০৪ মে) সকালে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে  একটি ট্রলার ডুবে গেছে। এতে চার থেকে পাঁচজন আহত হয়েছেন।তবে কেউ নিখোঁজ হয়নি।

শনিবার ভোর থেকে চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, মুজিবনগর, লালমোহন উপজেলার কচুয়ালীর চর, মনপুরার কলাতলীর চরসহ বেশ কিছু এলাকায় ঝড়ো বাতাস বইছে। এসব এলাকায় বেশ কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। জোয়ারে প্লাবিত হচ্ছে উপকূলবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত।

ঢালচর চর থেকে রহমান জানান, ঝড়ের প্রভাবে একটি স্কুলসহ বেশ কিছু ঘর বাড়ি ও দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কচুয়াখালীর চর থেকে জেলে নাছির বাংলানিউজকে জানান, শনিবার সকালে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে  মাইনুদ্দিনে ট্রলারটি ডুবে যায়। এতে ৪-৫ জন আহত হলেও কেউ নিখোঁজ নেই।

ভোলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) উপ-পরিচালক শুক্রবার মধ্যরাত থেকে সকাল সাড়ে ৭টায় পর্যন্ত সমগ্র ভোলাতে ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০/৮০ কিলোমিটার। এখনও সাত নম্বর সংকেত বহাল রয়েছে। কোথায় বড় ধরনের ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল আমিন জানান, তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ফসল ও গাছপালা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতে জেলার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৩৮ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম সিদ্দিক ও জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোকতার হোসেন আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিচ্ছেন।

ভোলার জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম সিদ্দিক  বলেন, আমরা সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
[tabs]