Barisal Report .Com । বরিশাল রিপোর্ট .কম

ঢাকা, ২১শে জুন, ২০১৯ ইং


প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০১৯ , ১২:৫২ অপরাহ্ণ
রাজাপুরে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী রশি টানা প্রতিযোগীতায় মানুষের ঢল

রহিম রেজা, ঝালকাঠি // ঝালকাঠির রাজাপুরে অনুষ্ঠিত হলো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী রশি টানা প্রতিযোগীতা। আর গ্রামীন ঐহিত্যবাহি এ প্রতিযোগীতা উপভোগ করতে মানুষের ঢল নামে।  রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া কলেজ মাঠে এ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগীতায় পালট ও বড়ইয়া গ্রামের যুবকরা অংশ নেয় এবং ২-০ তে পালট জয়ী হয়। আনন্দদায়ক এ প্রতিযোগিতাটি উপভোগ করতে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীসহ এলাকার নারী, পুরুষ, শিশু কিশোরসহ সর্বস্তরের মানুষ বিকেল থেকে মাঠে আসতে শুরু করে এবং বিপুল সংখক লোকের সমাগম ঘটে ও অস্থায়ী দোকানও বসে এ প্রতিযোগীতাকে ঘিরে।

বড়ইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরন ও বার্ষিক বনভোজনকে স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে এ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মনিরউজ্জামান প্রধান অতিথি ছিলেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন, সমকাল প্রতিনিধি রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাব সভাপতি রহিম রেজা, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আসলাম হোসেন মৃধা, বড়ইয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম মন্টু, ঝালকাঠি বার্তার উপ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম জুয়েল ও এসআই শাহ আলম। বড়ইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাহাউদ্দিন বাচ্চুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আমিনুল ইসলাম, আলমগীর শরীফ, ইমদাদুল হক ইমাম, খায়রুল ইসলাম মতিন ও রেজাউল ইসলাম রাসেল প্রমুখ।

প্রতিযোগীতা উপভোগ করতে আসা কয়েক ব্যক্তি জানান, গ্রামীন ঐতিহ্যবাহি এসব প্রতিযোগীতা তারা এই প্রথম দেখেছে। দাদা দাদি বা নানা নানির কাছে গল্পের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম এসব প্রতিযোগীতা কথা শুনেছে। বাস্তবে উপভোগ করতে পেরে খুব খুশি।

তারা আরও জানান, এসব প্রতিযোগীতা যদি মাঝে মধ্যে আয়োজন করা হয় তাহলে গ্রামীন ঐতিহ্য রক্ষা পাবে এবং নতুন প্রজন্ম এসব গ্রামীন খেলাধূলা ও প্রতিযোগীতা সম্পর্কে জানতে পারবে। তা না হলে বাংলার এসব ঐহিত্য হারিয়ে যাবে। আয়োজক বড়ইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাহাউদ্দিন বাচ্চু জানান, এসব প্রতিযোগীতা এখন আর কোথাও হয় না।

তাই নতুন প্রজন্মকে গ্রাম বাংলার এসব ঐতিহ্যবাহি প্রতিযোগীতাকে পরিচয় করিয়ে দিতেই এ আয়োজন। যাতে করে গ্রামীন এ ঐতিহ্য হারিয়ে না যায়। তিনি জানান, সকলের উচিত গ্রামীন নানা ঐহিত্য বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা উচিত। তাহলে এসব গ্রামীন ঐহিত্য রক্ষা পাবে।

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
সর্বাধিক পঠিত
[tabs]