বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন

কুয়াকাটায় সরকারি জমিতে করাত কল, দেখার কেউ নেই।

কুয়াকাটায় সরকারি জমিতে করাত কল, দেখার কেউ নেই।

কুয়াকাটা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বনের মধ্যে করাত কল স্থাপনের কাজ চললেও দেখছেন না কেউ। পরিবেশ ও বনবিভাগের ছাড়পত্র ও বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে গড়ে উঠছে করাত কলটি। তবে করাত কলের মালিক বিধান চন্দ্র হাওলাদার রেকর্ডীয় জমি দাবি করলেও স্বপক্ষ কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকায় করাত কলটি স্থাপন করা হচ্ছে। করাত কলের দক্ষিণ পাশের্ব ৪৮নং পোল্ডারের পাউবো বেড়িবাধের সরকারি জমি আর উত্তর পাশের্ব খাপড়াভাঙ্গা নদী, মাঝখানে বনবিভাগের বাগান। মিলের পাশে রয়েছে কেওড়া, গোলগাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। মাটির নিচে গোলগাছ চাপা দিয়ে করাত কলের ট্রলী বসানো হয়েছে। কলের স্থাপনের পূর্ব পরিকল্পনা হিসেবে আগেভাগেই দুথটি কুটাকুড় বসানো হয়েছে। আর চলমান লকডাউনের সুযোগে স্থাপন করা হচ্ছে করাত কলটি।

 

সূত্র মতে, করাত কল স্থাপনের জন্য বন বিভাগের লাইসেন্স প্রাপ্তির পর নিতে হয় পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র। ফলে যত্রতত্র করাত কল স্থাপনের কারণে হুমকিতে রয়েছে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ। করাত কল লাইসেন্স বিধিমালা ২০১২-র আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা রয়েছে, করাত কল স্থাপন বা পরিচালনার জন্য লাইসেন্স ফি বাবদ ২০০০ টাকা ‘১/৪৫৩১/০০০০/২৬৮১ (বিবিধ রাজস্ব ও প্রাপ্তি)থ খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা যেকোন সরকারি ট্রেজারিতে জমাপূর্বক উহার ট্রেজারি চালান আবেদনপত্রের সহিত সংযুক্ত না করলে আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না। সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান ও জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থানের ২০০ মিটারের মধ্যে করাত কল স্থাপন করা যাবে না। বিধিমালায় আরো বলা আছে, এ আইন কার্যকর হওয়ার আগে কোনো নিষিদ্ধ স্থানে করাত কল স্থাপন করা হয়ে থাকলে আইন কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে সেগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। যদি তা না করা হয় তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা বন্ধের জন্য আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। কিন্তু আইন থাকলেও প্রয়োগ নেই।

 

করাত কল মালিক বিধান চন্দ্র হাওলাদার বলেন, ‘আশেপাশে সরকারি জমি থাকলেও মিলটি রেকর্ডীয় জমিতে বসানো হয়েছে। আমি বন বিভাগের একটি গাছও নষ্ট করিনি।

 

এ ব্যাপারে মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, করাত কল স্থাপনের বিষয়টি আমার জানা নেই। চলমান লকডাউনের সুযোগ নিয়ে মিলটি স্থাপন করা হচ্ছে। আমি খেঁাজ খবর নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবোথ।

 

এ প্রসঙ্গে পটুয়াখালী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলামের ০১৭১২-৫০৩৪৯৪ নম্বরে কল ও এসএমএম দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি বিধায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। # #

Please Share This Post in Your Social Media




পুরাতন খবর

DEVELOP BY SJ WEB HOST BD
Design By Rana