বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:১৮ অপরাহ্ন

গলাচিপায় মুসলিম পরিবারের ওপর হামলাসহ বসতঘর ভাংচুর

গলাচিপায় মুসলিম পরিবারের ওপর হামলাসহ বসতঘর ভাংচুর

এম.জাফরান হারুন, নিজস্ব প্রতিনিধি, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৮ নং বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের সন্ত্রাসী বাহিনী কর্তৃক এক মুসলিম পরিবারের ওপরে নির্যাতন ও বসতবাড়ি ভাংচুরসহ ৩ জন আহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার (১৬ মে) বিকেল ৫ টার সময় ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ছোনখোলা গ্রামে।

অভিযোগকারী খোকন ব্যাপারি বলেন, হামলাকারীরা এলাকায় চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, মিথ্যে মামলায় নীরহ মানুষকে হয়রানি করা সহ নানান অপকর্মে জড়িত। খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক।

তাদের ভয়ে এলাকার অনেক মানুষ আতংকিত কেহ কিছু বলতে পারে না। পুর্বেও একাধিকবার এধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। স্থানীয় শালিশ বিচার ও আইনের তোয়াক্কা না করেই চালাচ্ছে তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। হামলাকারীরা হলেন, (১). কমল মালাকার (৩২), পিতাঃ রনজিৎ মালাকার, (২). বলরাম মালাকার (৩০), পিতাঃ দিনেশ মালাকার, (৩). শ্যামল মালাকার (৪৮), (৪). দিনেশ মালাকার (৫৫), উভয় পিতাঃ সুধির মালাকার, (৫). নিমাই মালাকার (৫৬), পিতাঃ মৃত- রাজেশ্বর মালাকার, (৬). সমির মালাকার (৩০), পিতাঃ নিমাই মালাকার, (৭). মনতোষ মালাকার (৩২), পিতাঃ দিনেশ মালাকার, (৮). রিপন মালাকার (২৮), পিতাঃ রনজিৎ মালাকার, (৯). সঞ্জয় মালাকার (২৮), পিতাঃ মুত- রাখাল মালাকার, (১০). মিঠুন মালাকার, পিতাঃ শ্যামল মালাকার সহ আরো ১০-১২ জন সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে ঘটনার দিন দেশীয় অস্ত্র রামদা, দা, লোহার রড, ছেনা ও লাঠি নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরের দরজা জানালা, আসবাবপত্র ভাংচুর ক।

এসময় তিনজন গুরুতর আহত হয়।

আহতরা হলেন, খোকন ব্যাপারি, পিতাঃ মোতালেব ব্যাপারি, (২). বেল্লাল ব্যাপারি (৩৮), পিতাঃ, মৃত- ইদ্রিস ব্যাপারি, ও অন্য জন রিপন ব্যাপারি।

এব্যাপারে আহতরা জানান, পুর্বে জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ের বিরোধ থাকায় হামলাকারীরা গরু দিয়ে ইচ্ছাকৃত ভাবে ক্ষেতের ডাল খাওয়ালে আমরা বাঁধা দিতে গেলে কথার কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা মারধর করে। জীবন বাঁচাতে দৌড়ে বাড়িতে আসলে সন্ত্রাসীরা বসতবাড়িতে এসে ঘরদুয়ারে হামলা চালায়। এবং খুনের উদ্দেশ্যে রামদা ও লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করলে বসরে যাওয়া মাথার বামপাশে লেগে গুরুতর হাড়ভাঙা জখম হয়। ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে সবার সামনেই আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে বীরদর্পে চলে যায়। পরে আমাদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।

এবিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবু জাফর খান বলেন, ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় শালিশ-মীমাংসা করার জন্য আমি দুপক্ষকে ডাকলে ওই কমল মালাকার গং চোটপাট দেখিয়ে শালিশ অমান্য করে চলে যায়। কমল মালাকার গং এলাকায় একটি সন্ত্রাসীবাহিনী। তাদের অত্যাচারে রেহাই পায়না সাধারন হিন্দু পরিবার ও মুসলিম পরিবার।#####

Please Share This Post in Your Social Media




পুরাতন খবর

DEVELOP BY SJ WEB HOST BD
Design By Rana