মঙ্গলবার, ২২ Jun ২০২১, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন

বাউফলে আম খাওয়াকে কেন্দ্র করে ঘর ভাংচুরসহ লুটপাট

বাউফলে আম খাওয়াকে কেন্দ্র করে ঘর ভাংচুরসহ লুটপাট

নিজস্ব প্রতিনিধি, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার সদর ইউনিয়নের ০২নং ওয়ার্ডের গোসিংগা গ্রামে আম খাওয়াকে কেন্দ্র করে বাবা-মা হারানোর এতিম পরিবারের উপর জুলুম করে তাদের বসতঘর কুপিয়ে পিটিয়ে ভাংচুর সহ লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ওই এতিম পরিবার অসহায় হয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ও থানায় গিয়েও কোনও বিচার পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন।

 

এতিম সাইফুল ইসলাম (৩০) ও জহিরুল ইসলাম (২৮), পিতা-মৃত: বাহাউদ্দিন গাজী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ফারুক গাজী ও রফিক গাজীর সাথে আমাদের জমি-জমার বিরোধ চলে আসছিল। আমাদের বাবা-মা বেচে নেই তাই তারা আমাদের ওপর জুলুম নির্যাতন করে আসছে। স্থানীয় শালিশ গন বসলে তারা মানেন না।

আমরাও সঠিক বিচার পাইনা। হঠাৎ গত শনিবার (০১ মে-২০২১ইং) বাড়িতে ওয়ারিশ সূত্রে আম গাছের আম তারা পাড়িয়া খায়।

 

আমরাও আম পাড়ার জন্য গেলে তারা আমাদেরকে বিভিন্ন খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করলে চলে আসি। কিন্তু পরেরদিন রোববার রাতে তারাবি নামাজ পড়তে মসজিদে যাই, ঘরে স্ত্রী সন্তান ছিল।

 

হঠাৎ ডাকচিৎকার শুনে এসে দেখি আমাদের ঘর-দুয়ার কুপিয়ে পিটিয়ে ভাংচুর করে এবং ভীতরে আসবাবপত্র ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। আমাদের সাথে বাড়ির লোকজন ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছিল।

 

পরে থানা পুলিশ খবর পেয়ে এসে দেখে গেছে অভিযোগও দিয়েছি কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনও বিচার পাইনি। আমরা এতিম মানুষ পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

 

এতিম সাইফুল ইসলামের স্ত্রী চাম্পা বেগম জানান, ফারুক গাজীর হুকুমে তার ভাই রফিক ও স্ত্রী করুনা বেগম, ফরিদা বেগম এবং তাদের ছেলে মুজাহিদ, মফিজুল রাম দা লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের ঘর কুপিয়ে পিটিয়ে ভাংচুর করে। বাচ্চাদের নিয়ে ঘরের ভীতরে থাকায় ঘরে ঢুকে আমার গলার স্বর্নের চেইন ছিড়ে নিয়ে যায়। এবং আসবাবপত্র ভাংচুর করে।

 

সরেজমিনে স্থানীয়রা জানান, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমার বিরোধ চলছে। কিন্তু ফারুক গাজী ও রফিক গাজীর পরিবার জোরপূর্বক বাবা-মা হারানো ওই এতিম সাইফুল ও জহিরুলদেরকে কোনও জমি-জমার বুঝ না দিয়ে জুলুম অত্যাচার করে আসছে দীর্ঘদিন। এখন আবার এতিম ছেলেদের ঘরদুয়ার কুপিয়ে পিটিয়ে ভাংচুর লুটপাট করেছে। কারও কথা বা কোনও শালিশ মীমাংসা মানেনা।

 

এব্যাপারে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিবেদক অভিযুক্ত ফারুক গং এর কাছে জানতে চাইলে কোনও সদউওর পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয়রা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন বলেন, আসলেই ওই এতিম পরিবারের ওপর জুলুম অত্যাচার করছে তারা দীর্ঘদিন। বেশ কয়েকবার শালিশ বসলেও তারা কারও কোনও কথা মানছে না বা শুনছে না।

 

এবিষয়ে বাউফল থানার এসআই প্রসেনজিৎ জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে শালিশ মীমাংসা করার জন্য স্থানীয় পর্যায় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের হাতে দেয়া হয়েছিল কিন্তু ফারুক গং তা মানছেন না বলে জানা গেছে।#####

Please Share This Post in Your Social Media




পুরাতন খবর

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
DEVELOP BY SJ WEB HOST BD
Design By Rana