মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ইউপি নির্বাচন : বাবুগঞ্জে ৫২ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল দশমিনায় মা’কে কু-প্রস্তাব দিয়ে শ্লীলতাহানি, বাধা দেয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে জখম চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে ভোটযুদ্ধে রিপন হাওলাদার-মারুফ-চাঁন স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কনে বরিশাল বিভাগে প্রথম মোস্তফা দেশে নির্বাচন কমিশন শাক্তিশালী না হলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা সম্ভব হবে না-হানিফ বাংলাদেশী। বরিশালে ছাত্র ফেডারেশনের বিক্ষোভ সমাবেশ বেগম জিয়ার সু-চিকিৎসার দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ বরিশালের দুই উপজেলায় ১০ বহিরাগত আটক, একজনের দন্ড বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি বরিশালের রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইভিএম দেখে ভোটাররা বিভ্রান্তির পড়ে – যেখানে, সেখানে বাটন চেপেছে রামনাবাদ নদীর ধারে ওড়নায় পেচানো নবজাতকের মরদেহ
বরিশালে সাংবাদিককে অবজ্ঞার অভিযোগ

বরিশালে সাংবাদিককে অবজ্ঞার অভিযোগ

বরিশাল রিপোর্ট ডেস্কঃ ফটো সাংবাদিককে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে বরিশালে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চলাকালে সেই অভিযানের ছবি তোলার সময়  । পাশাপাশি ওই সাংবাদিককে দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়া ত্রিপুরা। তবে ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছে, কোনো হেনস্থা তো নয়ই বরং আমাদের সাথে পর্যায়ক্রমে খারাপ ব্যবহার করেছেন ওই সাংবাদিক।

 

সোমবার দুপুরে বরিশাল নগরীর সাংবাদিক মাইনুল হাসান সড়কের মুখে এই ঘটনা ঘটে।

 

হেনস্থার শিকার দৈনিক যুগান্তরের ফটো সাংবাদিক শামীম আহম্মেদ বলেন, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানের খবর শুনে সাংবাদিক মাইনুল হাসান সড়কের মুখে যাই। এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়া ত্রিপুরা অভিযান পরিচালনাকালে আমি ছবি তোলার জন্য ক্যামেরা বের করার সাথে সাথেই আমি এখানে কি করছি প্রশ্ন করেন রয়া ত্রিপুরা।

 

এরপর তাকে আমি সংবাদকর্মী পরিচয় দেই এবং দৈনিক যুগান্তরে কাজ করি বলে জানাই। সে আমার পরিচয় পত্র দেখতে চাইলে তাও দেখাই। পাশে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর এক সদস্য আমাকে আটকও করতে চায়। পরে আমার ভিজিটিং কার্ড চায় রয়া ত্রিপুরা। তাকে সেটা দেয়ার পর আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন।

 

অভিযোগের বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়া ত্রিপুরা বলেন, নগরীর সদর রোডে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনাকালে সাংবাদিক মাইনুল হাসান সড়কের মুখে একটি অপচিক্যাল দোকান খোলা দেখতে পেয়ে সেখানে যাই। এসময় আবার তিন যুবক মোটরসাইকেলে করে কোথাও যাওয়ার সময় তাদের সিগন্যাল দিয়ে দাড়া করানো হয়।

 

ভ্রাম্যমান আদালত চললে এমনিতেই তো মানুষের অনেক ভীর হয়ে যায়, তাই সেখান থেকে লোকজনদের সরে যেতে বলা হয়। এসময় ওই সাংবাদিকও দাড়িয়ে ছিলেন।

 

আমরা তো আর জানতাম না যে উনি সাংবাদিক। উনি যে ছবি তুলতে চান, রিপোর্ট করতে চান সেটা কিন্তু আমাদেরকে বলেনি। আমার সাথে প্রথম থেকেই উচ্চ গলায় কথা বলছিলেন। এসময় আমি ওনাকে বলেছি আপনি কোর্টের সাথে এমনভাবে কথা বলতে পারেনা। আমার সাথে অতটুকু কথাই হয়েছে। তাকে কেউ আটক করতে বলেনি, গাড়িতে ওঠার কথাও বলেনি। উনি বরাবরই আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। কোনো মানুষকে অসম্মান করে আমরা কোর্ট পরিচালনা করিনা।

 

ন্যাশনাল ডেইলিজ ব্যুরো চীফ এ্যাসোসিয়েশন বরিশালের সভাপতি ও শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জী বলেন, ফটো সাংবাদিক শামীম আহম্মেদের মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। বরিশালের পরিচিত মুখ।

সিনিয়র এই সাংবাদিক মাঠে ঘুরে কাজ করছেন এখনও। তার সঙ্গে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা সমীচিন হয়নি বলে মনে করি।

Please Share This Post in Your Social Media




পুরাতন খবর

DEVELOP BY SJ WEB HOST BD
Design By Rana